(লিখা প্রদীপ মাহাত)
সাল পিয়াল মহুল বনের এই রুখা সুখা রক্তমৃত্তিকা রাঢ়ের সাংস্কৃতিক পীঠস্থান মানভূম তথা পুরুলিয়ার প্রাচীন ইতিহাস আজ বিকৃত।পুরুলিয়ার বেশিরভাগ গ্ৰামে জৈন মন্দিরের ছড়াছড়ি।
সুবর্ণরেখা রেখা নদী তীরবর্তী একসময় নগর সভ্যতা ছিল বলে বেগলার প্রমাণ করেছেন।
1872-76 সালে বেগলার সাহেব রাজধানী স্বরূপ নগরের ধংসাবসেসের সন্ধান পেয়েছিলেন সুবর্ণরেখা তীরবর্তী অঞ্চলে ।ভারতবর্ষে যে কয়টি জৈন ক্ষেত্র আছে, যেমন-পরেশ নাথ,চম্পা, পাবাপুরী ইত্যাদি তারা অযোধ্যা ও তাম্রলিপ্তের মধ্যে বানিজ্য করত।হিউএন সাঙ্ এর বিবরনিতে সমর্থন যোগ্য যে, বাগমুন্ডিতে জৈন সভ্যতা বিরাজমান ছিল।
হিউএন সাঙ 637-38 সালে বঙ্গ দেশে আসার সময় পাঁচটি ভাগে বিভক্ত ছিল ।তারমধ্যে তাম্রলিপ্তের মীমাংসা করেছেন 1400-1500 লি।তিনি তাম্রলিপ্ত থেকে কর্ণসূবর্ণ হয়ে উড়িষ্যা গিয়েছিলেন।এই কর্ণসূবর্ণকে শশাঙ্কের রাজধানী বলে উল্লেখ করেছেন।
গড়পঞ্চকোট রাজ পরিবারের আসল ইতিহাস জানতে এখানে <a href='https://shalp
ক্যানিং হাম হিউএন সাঙ এর বিবরনের ভিত্তিতে লেখা থেকে জানা যায় ' কি-লো-ন-সু-ফা-ল-ল ' জায়গাটি সিংভূম ও মানভূমের মাঝামাঝি স্থান। (the chief city if kirana suvarna must be looked for along the cource of the subarna rikhsa river .Some where about the district of singh bhum and Manbhum.
ক্যানিং হাম মগধের সীমানা দিয়েছেন পূর্বে মুঙ্গের,পশ্চিমে বেনারস,উত্তরে গঙ্গা নদী, এবং দক্ষিণে সিংভূম বা কিরণ সূবর্ণ।
হিউএন সাঙ এর বর্ণনায় তাম্রলিপ্তের উত্তর পশ্চিমে ছিল কর্ণসূবর্ণ,তাই মুর্শিদাবাদের অবস্থানের সঙ্গে মিল নেই।সাং বলেছেন যে, লো-টো-মো-চিহ এই রাঙ্গামাটি নামে ( Raktaviti ) স্থানটি হলো বাগমুন্ডির সুইসার কাছে সুবর্ণরেখা নদীর তীরে রাঙ্গামাটি নামে একটি গ্ৰাম।তাই শশাঙ্কের রাজত্ব এই মানভূম অঞ্চলের মধ্যেই ছিল।
সংক্ষেপে,,,,,,,
ক্যানিং হাম মগধের সীমানা দিয়েছেন পূর্বে মুঙ্গের,পশ্চিমে বেনারস,উত্তরে গঙ্গা নদী, এবং দক্ষিণে সিংভূম বা কিরণ সূবর্ণ।
হিউএন সাঙ এর বর্ণনায় তাম্রলিপ্তের উত্তর পশ্চিমে ছিল কর্ণসূবর্ণ,তাই মুর্শিদাবাদের অবস্থানের সঙ্গে মিল নেই।সাং বলেছেন যে, লো-টো-মো-চিহ এই রাঙ্গামাটি নামে ( Raktaviti ) স্থানটি হলো বাগমুন্ডির সুইসার কাছে সুবর্ণরেখা নদীর তীরে রাঙ্গামাটি নামে একটি গ্ৰাম।তাই শশাঙ্কের রাজত্ব এই মানভূম অঞ্চলের মধ্যেই ছিল।
সংক্ষেপে,,,,,,,


0 Comments