skip to main (ir a principal) |
skip to sidebar (ir al sidebar)
📝-- Rajesh Mahato
সেই রজনীর কথা, বল না রে সখি--
যখন প্রিয় মোর উন্মোচিত করিল বক্ষবন্ধনী,
অশনি সংকেত-এ আমার বুকে ধরিল কাঁপুনি ।
নিবিড় তিমির এ বদ্ধ গৃহে প্রজ্বলিত প্রদীপের শিখায়,
শ্বাসরুদ্ধ হয়ে আসছিল,ভাবিলাম নিজেকে বড় অসহায়।
স্নানগৃহের বাহানায় ধীর পায়ে করিলাম পলায়ন,
দীর্ঘশ্বাস ফেলিতে ফেলিতে মনে জাগিল শঙ্কা
নিস্তব্ধ নিঝুম রাতে, কেউ যেন দরজাতে দিচ্ছে টোকা।
সখি রে......
হৃদয় স্পন্দন আমার বাড়িতে লাগিল দ্বিগুণ,
অনিশ্চিত বিপদের আশঙ্কা বুকে নিয়ে যেই খুলিলাম কপাট
আচম্বিতে কেউ যেন জড়িয়ে ধরিল মোরে সপাটে।
উভয়ের নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের উষ্ণতায়,
অদ্ভুত এক অনুভূতি হইল সঞ্চার।।
রণে মগ্ন কামার্ত যোধ্যার বাহুডোর হতে,
বৃথা মুক্তি পেতে হইলাম সচেষ্ট।।
চোখে চোখ পড়তেই নেমে এলো,
ওষ্ঠ সুধার তীব্র বান।
যেন কোন শতাব্দীর তৃষ্ণার্ত প্রাণ,
সম্মুখে পেয়ে জল করিতে লাগিল পান।
আমার আচ্ছাদিত সরোবরের পদ্ম পুষ্প,
বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে করিতে লাগিল যুদ্ধ।
অতঃপর, প্রিয় মোর শুন রে সখি
কোলে করে শয়নগৃহে করিল গমন।
আমার সম্পৃক্ত দেহের অঙ্গ প্রত্যঙ্গে,
শিহরিত হয়ে উঠিতে লাগিল কামের তড়িৎ।
গলা, নিতম্ব,কোমর আর বক্ষের পুষ্প বৃন্ত,
দৃঢ় মুষ্টির পেষনে হতে লাগল উদ্দীপিত।
সিক্ত স্তনে তীক্ষ্ণ দাঁতের মৃদু কর্তনে,
কাটা মুরগীর মতো দেহ হইলো উত্তোলিত।
তাঁর পেশীবহুল হাতের পরম আবেশ,
ভয়, লজ্জা আর হতাশা নিমিষে করিল শেষ।
অবিশ্রান্ত চুম্বনের ঝরনায় ভিজে,প্রতিটি লোম শিহরিত,
ঘন ঘন নিঃশ্বাসে মাদকাসক্ত এক অদ্ভুত শীৎকার।
শুন ওরে সখী.....
দুটি দেহের ঘর্ষণের উৎপন্ন উত্তাপের কামার্ত আগুনের ফুলকিতে;
ক্ষতবিক্ষত করিতে লাগিল দুটি প্রাণ।।
--------------------------------------------------------------------
0 Comments